Author : আবদুল্লাহ আল মোহন
মানব প্রবৃত্তির একটি বিশেষ দিক, অনুভূতির নাম ঈর্ষা। ঈর্ষা এমন একটি আবেগ যা জীবনে কোনো না কোনো ক্ষেত্রে সবাই কম-বেশি অনুভব করে থাকেন। ঈর্ষা করা যে খুব বেশি ভালো কিছু নয় তা কাউকে বলে বোঝাতে হবে না। ঈর্ষান্বিত হওয়া মানসিক শান্তির জন্য এবং স্বাস্থ্যের জন্য সব সময় ভালো নয়। নিজের উন্নতি চাইলে ঈর্ষাবোধ পরিত্যাগ করা দরকার। গবেষকদের মতে, ঈর্ষান্বিত ব্যক্তিরা প্রথমে ক্রোধ অনুভব করেন এবং পরবর্তীতে এই ক্রোধ হীনমন্যতার জন্ম দেয়। এতে করে মানসিক শান্তি নষ্ট হয় ও আত্মবিশ্বাসের উপর প্রভাব পরে যা জীবনের লক্ষ্যকে নষ্ট করে দিতে পারে মুহূর্তের মধ্যেই। তাই মনের মধ্যে সামান্যতম ঈর্ষাকে স্থান দেয়া উচিত নয় কারো। নিজেকে ছোট করে দেখার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসা জরুরি। অনেকের ধারণা ঈর্ষা’র মানসিক অশান্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ নেই, কারণ অনুভূতি রুদ্ধ করা যায় না। কিন্তু অনুভূতি বন্ধ না করা গেলেও নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। মনোবিদগণ বলেন, নিয়ন্ত্রিত ঈর্ষা কিন্তু ভালো। কারণ এই নিয়ন্ত্রিত ঈর্ষা একজন ব্যক্তিকে উন্নতির পথে ধীর-স্থিরভাবে ভেবে-চিন্তে এগিয়ে নিতে সহায়ক হয়। আবার অনিয়ন্ত্রিত ঈর্ষা থাকলে জীবন দূর্বিষসহ হয়ে পড়ে। ঈর্ষা নয়, ঈর্ষণীয় হতে যে সকল জীবন দক্ষতা, যোগ্যতা দরকার, সে সব কথাই বলতে চেয়েছেন বইটিতে মনোবিদ-শিক্ষক-গবেষক দম্পতি রাশনা রশীদ এবং আবদুল্লাহ আল মোহন। বইটিতে বেশ কিছু কৌশল, পরামর্শ বা উপায় বলে দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে পাঠক এই নেতিবাচক আবেগটিকে নিজের জন্য ইতিবাচক করে তুলতে পারবেন। বিশেষত শিক্ষার্থীদের জন্য বইটি নিজেকে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয় পরামর্শমূলক, বিশেষ সহায়ক ‘গাইড’ হিসেবে ভূমিকা পালন করবে বলে বিশ^াস।
Author : আবদুল্লাহ আল মোহন
ক্যাটাগরি: আত্ন-উন্নয়ন ও মোটিভেশন আত্ম-উন্নয়ন, মোটিভেশনাল ও মেডিটেশন boimela-2025
0 Rating / 0 Review
মানব প্রবৃত্তির একটি বিশেষ দিক, অনুভূতির নাম ঈর্ষা। ঈর্ষা এমন একটি আবেগ যা জীবনে কোনো না কোনো ক্ষেত্রে সবাই কম-বেশি অনুভব করে থাকেন। ঈর্ষা করা যে খুব বেশি ভালো কিছু নয় তা কাউকে বলে বোঝাতে হবে না। ঈর্ষান্বিত হওয়া মানসিক শান্তির জন্য এবং স্বাস্থ্যের জন্য সব সময় ভালো নয়। নিজের উন্নতি চাইলে ঈর্ষাবোধ পরিত্যাগ করা দরকার। গবেষকদের মতে, ঈর্ষান্বিত ব্যক্তিরা প্রথমে ক্রোধ অনুভব করেন এবং পরবর্তীতে এই ক্রোধ হীনমন্যতার জন্ম দেয়। এতে করে মানসিক শান্তি নষ্ট হয় ও আত্মবিশ্বাসের উপর প্রভাব পরে যা জীবনের লক্ষ্যকে নষ্ট করে দিতে পারে মুহূর্তের মধ্যেই। তাই মনের মধ্যে সামান্যতম ঈর্ষাকে স্থান দেয়া উচিত নয় কারো। নিজেকে ছোট করে দেখার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসা জরুরি। অনেকের ধারণা ঈর্ষা’র মানসিক অশান্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ নেই, কারণ অনুভূতি রুদ্ধ করা যায় না। কিন্তু অনুভূতি বন্ধ না করা গেলেও নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। মনোবিদগণ বলেন, নিয়ন্ত্রিত ঈর্ষা কিন্তু ভালো। কারণ এই নিয়ন্ত্রিত ঈর্ষা একজন ব্যক্তিকে উন্নতির পথে ধীর-স্থিরভাবে ভেবে-চিন্তে এগিয়ে নিতে সহায়ক হয়। আবার অনিয়ন্ত্রিত ঈর্ষা থাকলে জীবন দূর্বিষসহ হয়ে পড়ে। ঈর্ষা নয়, ঈর্ষণীয় হতে যে সকল জীবন দক্ষতা, যোগ্যতা দরকার, সে সব কথাই বলতে চেয়েছেন বইটিতে মনোবিদ-শিক্ষক-গবেষক দম্পতি রাশনা রশীদ এবং আবদুল্লাহ আল মোহন। বইটিতে বেশ কিছু কৌশল, পরামর্শ বা উপায় বলে দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে পাঠক এই নেতিবাচক আবেগটিকে নিজের জন্য ইতিবাচক করে তুলতে পারবেন। বিশেষত শিক্ষার্থীদের জন্য বইটি নিজেকে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয় পরামর্শমূলক, বিশেষ সহায়ক ‘গাইড’ হিসেবে ভূমিকা পালন করবে বলে বিশ^াস।
| Title | ঈর্ষা নয়, ঈর্ষণীয় হই |
|---|---|
| Author | আবদুল্লাহ আল মোহন |
| Publisher | অন্যধারা |
| ISBN | 978-984-29081-9-4 |
| Edition | অক্টোবর ২০২৫ |
| Number of Pages | 72 |
| Country | Bangladesh |
| Language | বাংলা |