ঈর্ষা নয়, ঈর্ষণীয় হই

Author : আবদুল্লাহ আল মোহন

List Price: Tk. 200

Tk. 150 You Save 50 (25%)

একটু পড়ে দেখুন

ঈর্ষা নয়, ঈর্ষণীয় হই

মানব প্রবৃত্তির একটি বিশেষ দিক, অনুভূতির নাম ঈর্ষা। ঈর্ষা এমন একটি আবেগ যা জীবনে কোনো না কোনো ক্ষেত্রে সবাই কম-বেশি অনুভব করে থাকেন। ঈর্ষা করা যে খুব বেশি ভালো কিছু নয় তা কাউকে বলে বোঝাতে হবে না। ঈর্ষান্বিত হওয়া মানসিক শান্তির জন্য এবং স্বাস্থ্যের জন্য সব সময় ভালো নয়। নিজের উন্নতি চাইলে ঈর্ষাবোধ পরিত্যাগ করা দরকার। গবেষকদের মতে, ঈর্ষান্বিত ব্যক্তিরা প্রথমে ক্রোধ অনুভব করেন এবং পরবর্তীতে এই ক্রোধ হীনমন্যতার জন্ম দেয়। এতে করে মানসিক শান্তি নষ্ট হয় ও আত্মবিশ্বাসের উপর প্রভাব পরে যা জীবনের লক্ষ্যকে নষ্ট করে দিতে পারে মুহূর্তের মধ্যেই। তাই মনের মধ্যে সামান্যতম ঈর্ষাকে স্থান দেয়া উচিত নয় কারো। নিজেকে ছোট করে দেখার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসা জরুরি। অনেকের ধারণা ঈর্ষা’র মানসিক অশান্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ নেই, কারণ অনুভূতি রুদ্ধ করা যায় না। কিন্তু অনুভূতি বন্ধ না করা গেলেও নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। মনোবিদগণ বলেন, নিয়ন্ত্রিত ঈর্ষা কিন্তু ভালো। কারণ এই নিয়ন্ত্রিত ঈর্ষা একজন ব্যক্তিকে উন্নতির পথে ধীর-স্থিরভাবে ভেবে-চিন্তে এগিয়ে নিতে সহায়ক হয়। আবার অনিয়ন্ত্রিত ঈর্ষা থাকলে জীবন দূর্বিষসহ হয়ে পড়ে। ঈর্ষা নয়, ঈর্ষণীয় হতে যে সকল জীবন দক্ষতা, যোগ্যতা দরকার, সে সব কথাই বলতে চেয়েছেন বইটিতে মনোবিদ-শিক্ষক-গবেষক দম্পতি রাশনা রশীদ এবং আবদুল্লাহ আল মোহন। বইটিতে বেশ কিছু কৌশল, পরামর্শ বা উপায় বলে দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে পাঠক এই নেতিবাচক আবেগটিকে নিজের জন্য ইতিবাচক করে তুলতে পারবেন। বিশেষত শিক্ষার্থীদের জন্য বইটি নিজেকে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয় পরামর্শমূলক, বিশেষ সহায়ক ‘গাইড’ হিসেবে ভূমিকা পালন করবে বলে বিশ^াস।

Author : আবদুল্লাহ আল মোহন

ক্যাটাগরি: আত্ন-উন্নয়ন ও মোটিভেশন আত্ম-উন্নয়ন, মোটিভেশনাল ও মেডিটেশন boimela-2025

0 Rating / 0 Review

List Price: Tk. 200

Tk. 150 You Save 50 (25%)

Add to cart Add to Booklist

মানব প্রবৃত্তির একটি বিশেষ দিক, অনুভূতির নাম ঈর্ষা। ঈর্ষা এমন একটি আবেগ যা জীবনে কোনো না কোনো ক্ষেত্রে সবাই কম-বেশি অনুভব করে থাকেন। ঈর্ষা করা যে খুব বেশি ভালো কিছু নয় তা কাউকে বলে বোঝাতে হবে না। ঈর্ষান্বিত হওয়া মানসিক শান্তির জন্য এবং স্বাস্থ্যের জন্য সব সময় ভালো নয়। নিজের উন্নতি চাইলে ঈর্ষাবোধ পরিত্যাগ করা দরকার। গবেষকদের মতে, ঈর্ষান্বিত ব্যক্তিরা প্রথমে ক্রোধ অনুভব করেন এবং পরবর্তীতে এই ক্রোধ হীনমন্যতার জন্ম দেয়। এতে করে মানসিক শান্তি নষ্ট হয় ও আত্মবিশ্বাসের উপর প্রভাব পরে যা জীবনের লক্ষ্যকে নষ্ট করে দিতে পারে মুহূর্তের মধ্যেই। তাই মনের মধ্যে সামান্যতম ঈর্ষাকে স্থান দেয়া উচিত নয় কারো। নিজেকে ছোট করে দেখার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসা জরুরি। অনেকের ধারণা ঈর্ষা’র মানসিক অশান্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ নেই, কারণ অনুভূতি রুদ্ধ করা যায় না। কিন্তু অনুভূতি বন্ধ না করা গেলেও নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। মনোবিদগণ বলেন, নিয়ন্ত্রিত ঈর্ষা কিন্তু ভালো। কারণ এই নিয়ন্ত্রিত ঈর্ষা একজন ব্যক্তিকে উন্নতির পথে ধীর-স্থিরভাবে ভেবে-চিন্তে এগিয়ে নিতে সহায়ক হয়। আবার অনিয়ন্ত্রিত ঈর্ষা থাকলে জীবন দূর্বিষসহ হয়ে পড়ে। ঈর্ষা নয়, ঈর্ষণীয় হতে যে সকল জীবন দক্ষতা, যোগ্যতা দরকার, সে সব কথাই বলতে চেয়েছেন বইটিতে মনোবিদ-শিক্ষক-গবেষক দম্পতি রাশনা রশীদ এবং আবদুল্লাহ আল মোহন। বইটিতে বেশ কিছু কৌশল, পরামর্শ বা উপায় বলে দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে পাঠক এই নেতিবাচক আবেগটিকে নিজের জন্য ইতিবাচক করে তুলতে পারবেন। বিশেষত শিক্ষার্থীদের জন্য বইটি নিজেকে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয় পরামর্শমূলক, বিশেষ সহায়ক ‘গাইড’ হিসেবে ভূমিকা পালন করবে বলে বিশ^াস।

Title ঈর্ষা নয়, ঈর্ষণীয় হই
Author আবদুল্লাহ আল মোহন
Publisher অন্যধারা
ISBN 978-984-29081-9-4
Edition অক্টোবর ২০২৫
Number of Pages 72
Country Bangladesh
Language বাংলা
images__284_29_1.jpeg

আবদুল্লাহ আল মোহন

পাবনার যমুনাপাড়ের নগরবাড়ী ঘাটের যমুনা পুত্র আবদুল্লাহ আল মােহনের জন্ম ১৯৭৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি। প্রাতিষ্ঠানিক নাম আবদুল্লাহ আল মামুন। বর্তমানে ঢাকার ভাসানটেক সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান। বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। তাঁর। নিত্যসহযােগী, স্বপ্নসহচরী স্ত্রী রাশনা রশীদও| ঢাকার একটি সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক।


শিক্ষকতার মহান পেশার সাথে জীবনাদর্শে মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে। তার মােহন নেশাটিও শিল্পঘােরে নিরন্তর পরিভ্রমণ, জীবনানন্দে জীবনযাপন। সৃজনীজীবনের সুপ্ত স্বপ্নকে বিকশিত করতে প্রিয় শিক্ষার্থীদের নিয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি আমাদের শিক্ষাঙ্গণে। আলােচিত সৃজনশীল সহশিক্ষার আনন্দময় আয়ােজন ‘মঙ্গল আসর পরিচালনা করে আসছেন। অনুকরণীয় শিক্ষকের নানাবিধ কর্মকাণ্ড নিয়ে সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের সহযােগিতায় তৈরি হয়েছে তথ্যচিত্র ‘মােহনের মঙ্গল আসর। লেখাপড়া করেছেন ধােবাখােলা করােনেশন উচ্চ বিদ্যালয় (নাটিয়াবাড়ী, বেড়া, পাবনা), ঢাকার সরকারি তিতুমীর কলেজ এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগে। বিপরীতমুখী পেশাজীবনের বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতায়। সমৃদ্ধ তার জীবন। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আবদুল্লাহ। আবু সায়ীদের একান্ত সহকারী হিসেবে যেমন দায়িত্ব পালন করেছেন, তেমনি আবার বিশ্ববরেণ্য জাদুশিল্পী জুয়েল আইচের জাদুদলের একজন সদস্য হিসেবে। আলােক প্রক্ষেপণেও সহযােগিতা করেছেন মঞ্চে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে কাজ। করেছেন তকালীন বহুল প্রচারিত ও জনপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক ভােরের কাগজে।। এরপর ইমপ্রেস টেলিফিল্ম, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রশিকার প্রশিক্ষণ বিভাগ। এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সােনালী ব্যাংকেও কাজ করেছেন। তার লেখালেখির আগ্রহের অন্যতম বিষয়-আলােকিত ব্যক্তিত্বদের অনুপ্রেরণামূলক জীবনী ও ভ্রমণকাহিনি। জনপ্রিয় সামাজিক যােগাযােগ মাধ্যম ফেসবুকে নিয়মিত সরব কিন্তু। সেখানেও প্রবলভাবে অনুরাগী তিনি জীবনী, ছড়া-কবিতা, প্রবন্ধে-আলােচনায়, সর্বোপরি মননশীল চিন্তাচর্চায়। গভীরভাবে ভালােবাসেন বইয়ের পাশাপাশি মানুষ নামক জীবন্ত বিশ্বকোষ, মহাগ্রন্থ নিরন্তর পাঠ করতে।। প্রকাশিত উল্লেখযােগ্য গ্রন্থ : বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ’, ‘খােকা থেকে মুজিব : বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতা', সম্পর্কের সেতুবন্ধনে : বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা’, ‘হাসু থেকে শেখ হাসিনা : দেশনেত্রী থেকে বিশ্বনেত্রী’, ‘দৃষ্টি ও অন্তদৃষ্টির ভারত ভ্রমণ’ (দিল্লি, আজমির, জয়পুর ও আগ্রাভ্রমণ কাহিনি), ‘খুঁজে। ফেরা : বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের হৃদয় হতে’, ‘মানবাধিকার চর্চা’, বঙ্গবন্ধুর লেখক সত্তা’ ।


Submit Your review and Ratings

Please Login before submitting a review..