Author : মাহবুবা চৌধুরী
আর কিছুদিন পরই গরমের ছুটি। বন্ধুরা কে কোথায় যাবে সব ঠিক হয়ে গেছে। কিন্তু এবার কোন্ দেশে বেড়াতে যাবে দোতনা। এখনও তো ছোট মামা কিছু বললো না। নাকি ছোট মামা এবার কোথাও নিয়ে যাবে না এই চিন্তায় দোতনা দু'চোখের পাতা এক করতে পারে না। ভ্রমণ দোতনার বড্ড প্রিয়। সেটা দেশে হোক আর বিদেশে। ছোট মামার সঙ্গে দশ বছরের ছোট্ট জীবনে বহু দেশ ভ্রমণ করেছে দোতনা। প্রতিবার ভ্রমণেই নতুন দেশ, নতুন পরিবেশ, নানান ধরনের খাবার, ভিন্ন সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় ঘটেছে দোতনা আর ছোট মামার। সমৃদ্ধ হয়েছে অভিজ্ঞতার ঝুলি। দোতনার একটাই ভয় সেটা হলো সাপ। দোতনা এমন দেশে যেতে চায় না যেখানে সাপ আছে। সেদিন স্কুল থেকে ফেরার সময় রাস্তায় সাপ দেখে দোতনার হাত-পা ঠাণ্ডা। বাসায় ফিরেও সাপের কথা কিছুতেই ভুলতে পারে না দোতনা। তখন ছোট মামা দোতনাকে বলেছিল এক মিনিটেই শিস বাজিয়ে সাপকে বশে আনতে পারেন তিনি। একটি আস্ত অজগর হাতে নিয়ে ছবিও তুলেছিল ছোট মামা। সাপ হাতে ছবি দেখে দোতনা ভাবে কতোই না বীরপুরুষ ছোট মামা। এমন বীরপুরুষ সঙ্গে থাকলে সাপকে কিসের ভয়- এটা ভেবে নিজের মনকে শক্ত করে দোতনা। অপেক্ষার প্রহর শেষে ছোট মামা একদিন এসে জানায় এবার হংকং যাচ্ছে দোতনা। খুশীতে লাফিয়ে উঠে দোতনা। কিন্তু পরক্ষণেই গম্ভীর হয়ে বলে আব্বু যে বলেছিল হংকং-এ উড়ন্ত সাপ আছে। দোতনার কথা শুনে হেসে ছোট মামা বলেন- বোকা ছেলে সঙ্গে আমি আছি না। সাপ তো রীতিমতো আমাকে ভয় পায়। সাপকে এমন মার মারবো আর জীবনেও ধারে কাছে ঘেঁষবে না। আসলেই কি ছোট মামা সাপকে বশে আনতে পেরেছিল নাকি সাপই সাপেবর হয়েছিল ছোট মামার। এটা জানতে হলে পড়তে হবে পুরো বইটি 'দোতনা আর ছোট মামার হংকংয়ে বিপদ'।
Author : মাহবুবা চৌধুরী
ক্যাটাগরি: শিশু-কিশোর উপন্যাস শিশু-কিশোর বই
0 Rating / 0 Review
আর কিছুদিন পরই গরমের ছুটি। বন্ধুরা কে কোথায় যাবে সব ঠিক হয়ে গেছে। কিন্তু এবার কোন্ দেশে বেড়াতে যাবে দোতনা। এখনও তো ছোট মামা কিছু বললো না। নাকি ছোট মামা এবার কোথাও নিয়ে যাবে না এই চিন্তায় দোতনা দু'চোখের পাতা এক করতে পারে না। ভ্রমণ দোতনার বড্ড প্রিয়। সেটা দেশে হোক আর বিদেশে। ছোট মামার সঙ্গে দশ বছরের ছোট্ট জীবনে বহু দেশ ভ্রমণ করেছে দোতনা। প্রতিবার ভ্রমণেই নতুন দেশ, নতুন পরিবেশ, নানান ধরনের খাবার, ভিন্ন সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় ঘটেছে দোতনা আর ছোট মামার। সমৃদ্ধ হয়েছে অভিজ্ঞতার ঝুলি। দোতনার একটাই ভয় সেটা হলো সাপ। দোতনা এমন দেশে যেতে চায় না যেখানে সাপ আছে। সেদিন স্কুল থেকে ফেরার সময় রাস্তায় সাপ দেখে দোতনার হাত-পা ঠাণ্ডা। বাসায় ফিরেও সাপের কথা কিছুতেই ভুলতে পারে না দোতনা। তখন ছোট মামা দোতনাকে বলেছিল এক মিনিটেই শিস বাজিয়ে সাপকে বশে আনতে পারেন তিনি। একটি আস্ত অজগর হাতে নিয়ে ছবিও তুলেছিল ছোট মামা। সাপ হাতে ছবি দেখে দোতনা ভাবে কতোই না বীরপুরুষ ছোট মামা। এমন বীরপুরুষ সঙ্গে থাকলে সাপকে কিসের ভয়- এটা ভেবে নিজের মনকে শক্ত করে দোতনা। অপেক্ষার প্রহর শেষে ছোট মামা একদিন এসে জানায় এবার হংকং যাচ্ছে দোতনা। খুশীতে লাফিয়ে উঠে দোতনা। কিন্তু পরক্ষণেই গম্ভীর হয়ে বলে আব্বু যে বলেছিল হংকং-এ উড়ন্ত সাপ আছে। দোতনার কথা শুনে হেসে ছোট মামা বলেন- বোকা ছেলে সঙ্গে আমি আছি না। সাপ তো রীতিমতো আমাকে ভয় পায়। সাপকে এমন মার মারবো আর জীবনেও ধারে কাছে ঘেঁষবে না। আসলেই কি ছোট মামা সাপকে বশে আনতে পেরেছিল নাকি সাপই সাপেবর হয়েছিল ছোট মামার। এটা জানতে হলে পড়তে হবে পুরো বইটি 'দোতনা আর ছোট মামার হংকংয়ে বিপদ'।
| Title | দোতনা আর ছোট মামার হংকংয়ে বিপদ |
|---|---|
| Author | মাহবুবা চৌধুরী |
| Publisher | অন্যধারা |
| ISBN | 978-984-95594-1-2 |
| Edition | ১ম প্রকাশ, বইমেলা ২০২১ |
| Number of Pages | 44 |
| Country | Bangladesh |
| Language | বাংলা |